আরশাদুল ইসলাম কেশবপুর যশোর প্রতিনবধিঃকেশবপুরে আমন মৌসুমে চাষের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বোরোধান আবাদের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আবাদের লক্ষমাত্রা নির্দ্ধারণ হয়েছে ১৫ হাজার ৫২০ হেক্টর জমি। আগাম বীজতলা দিয়েছে ৫৫০ হেক্টর জমিতে।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে গত আমন চাষের মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আমন চাষের লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত হয়নি। সেচ দিয়ে আমনধানের আবাদ করলেও অনাবৃষ্টির কারণে কৃষকের আর্থিক ভাবে ক্ষতি হয়েছে। আসন্ন বোরোধান মৌসুমে আমনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কেশবপুরের কৃষক আগে-ভাগে বোরোধানের আবাদের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
সুত্র জানায় কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ও সুফলাকাটী ইউনিয়নের দীর্ঘদিন জলাবদ্ধতায় পড়ে থাকা অনাবাদি জমি চলতি বছর বোরো মৌসুমে চাষের আওতায় আসায় বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ হয়েছে ১৫ হাজার ৫২০ হেক্টর জমি। গতবছর অর্জিত হয়েছিল ১৪ হাজার ৫২০ হেক্টর জমি। বোরে আবাদের লক্ষমাত্রা অর্জন করতে কেশবপুরের কৃষককুল আগে-ভাগে বীজতলা প্রস্তুত করেছে ৫৩০ হেক্টর জমি।
কৃষি অধিদপ্তর আরো জানান আমনধান চাষের অনাবাদি জমিতে কেশবপুর উপজেলায় ব্যাপক ভাবে ৪ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরেধানের আবাদ আরও বাড়তে পারে।
কেশবপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কৃষিবীদ ঝৃতুরাজ সরকার আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন কেশবপুর উপজেলায় গত বর্ষামৌসুমে অনাবৃষ্টির ফলে আমনধানের ফলন ভালো না হলেও ধান যা হয়েছে কৃষক তার নেয্য মূল্য পেয়েছে যার কারণে কেশবপুর উপজেলার কৃষক সমাজ বোরোধান আবাদের প্রতি ঝুকে পড়েছে বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। কেশবপুরের কৃষক বোরোধান আবাদের জন্য বীজতলা তৈরি করতে ব্যাস্ত হয়ে উঠেছে। আবার কেহ কেহ ধানের জমি তৈরিতে ব্যাস্ত সময় পার করছে।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি